July 1, 2022, 5:30 am
শিরোনাম :
শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত রাবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ও উপ-উপাচার্যকে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভেচ্ছা প্রদান “আত্মবিশ্বাস আসে জ্ঞান থেকে” বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ওয়েবিনারে সোলায়মান সুখন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্টা’র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টের স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন জাতীয় শোক দিবসে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের “ওয়েবিনার ও অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিত “

অনলাইনে নয়, সশরীরে পরীক্ষা দিতে চান ইবি শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, মে ২৪, ২০২১
  • 1 Time View

অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে রাজি নন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। বরং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরেই পরীক্ষায় অংশ নিতে চান তারা। অনলাইনে পরীক্ষায় অংশ না নেয়ার কারণ হিসেবে তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিরবিচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার অভাব, নেটওয়ার্ক সমস্যা, শতভাগ স্মার্টফোনের অনিশ্চয়তা, ডাটা প্যাক কেনার সামর্থ্য না থাকা ও টেকনিক্যাল সমস্যাসহ নানা সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

জানা যায়, করোনায় ১০ মাস বন্ধ থাকার পর গত ৯ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে অনার্স-মাস্টার্স ও আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো নেয়া শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে সরকারি নির্দেশনায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে গত ৬ মে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সাত শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়ার নির্দেশনা জারি করে।

নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষার্থী যদি অনলাইনে পরীক্ষা দিতে না চান, সেক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া যাবে না। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি মনে করে যে অনলাইনে না নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা সরাসরি পরীক্ষা নেবে, সেটিও করা সম্ভব।এমন নির্দেশনা জারির পর শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পরীক্ষার ব্যাপারে আপত্তি জানাতে শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুবাইদা খাতুন বলেন, ‘গ্রামে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হয়। এছাড়া শতভাগ শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন আছে কি-না সেটাও কর্তৃপক্ষের অবগত হওয়া উচিত। টেকনিক্যাল সমস্যাও অনলাইন পরীক্ষার ক্ষেত্রে বড় বাধা।’

ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার আগে নিজেদের সক্ষমতা বিবেচনা করা উচিত। আমরা অনলাইন পরীক্ষার বিপক্ষে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রান্তিক এলাকার হওয়ায় সেখানকার মোবাইল নেটওয়ার্কের অবস্থা খুবই খারাপ। থ্রিজি নেটওয়ার্ক পেতে হলে সড়ক অথবা ফাঁকা কোনো স্থানে গিয়ে নেট চালাতে হয়। এছাড়া ডাটা প্যাক কেনার সক্ষমতা নেই নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের।’

ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশে ইন্টারনেট যে অবস্থা তাতে অনলাইন পরীক্ষার মাঝেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না। দেশে সবকিছুই চলছে, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা চাই দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হোক’। এদিকে দীর্ঘমেয়াদী অনলাইন মূল্যায়ন কখনও একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধাকে যাচাই করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও উচ্চগতির ইন্টারনেটের কথা বিবেচনায় এনে অনলাইনের পরিবর্তে ইন-পার্সন পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। আমরা মেরিট-ডিমেরিটের ব্যাপারে ফ্যাকাল্টি মিটিংয়ে আলোচনা করেছি। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় এনে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে’। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘অনলাইন পরীক্ষার ব্যাপারে ইউজিসির নিদের্শনাটি ডিন ও বিভাগীয় সভাপতিদের জানিয়েছি। তারা মতামত জানালে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হবে না।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin