আইন মেনে চলছে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, দাবি কর্তৃপক্ষের

  • 31
    Shares

আইন মেনে চলছে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, দাবি কর্তৃপক্ষের

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (বিডিইউ) আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে, কোনো অনিয়ম করা হয়নি বলে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়েছে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি জিরো থেকে দৃশমান করা হয়েছে। শুরু থেকে বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সকল উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। যার তথ্য-প্রমাণ কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সকল বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উন্নয়ন কাজ করে থাকে। ঢাকা ও কালিয়াকৈরে বাড়ি ভাড়ার বিষয়ে ওপেন টেন্ডার অথবা রিকোয়েস্ট ফর কোটেশন (আরএফকিউ) এর মাধ্যমে বাসা ভাড়া নেয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুর এলাকায় বাড়িতে প্রচলিত ভাড়া থেকে অনেক কমেই এই বাসা নেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু ডেকোরেশন, চেয়ার, টেবিল, আলমারি ক্রয় করা হয়েছে। আর এগুলোর একটি স্থানান্তর অযোগ্য নয়, কিছু ফিক্সড আলমারি ডেকোরেশনের জন্য করা হয়েছে, তবে সেগুলো স্থানান্তর যোগ্য।

এতে বলা হয়েছে, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসার জায়গা দিতে হবে। কম্পিউটারের লাইন টানার জন্য কিছু কাজ করা হয়েছে। এগুলোর একটাও স্থানান্তর অযোগ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য কোনো ধরনের টেন্ডার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকেন না। এই টেন্ডারের জন্য টেন্ডার ইভালুয়েশন কমিটি আছে, একটি ইস্টিমেট কমিটি আছে আছে যারা ইস্টিমেট করে। টেন্ডার ওপেনিং কমিটিও আছে। যেখানে অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক সভাপতি, এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের এবং ভেতরের সদস্যরাও আছেন, যার কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গে উপাচার্য যুক্ত নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী টেন্ডারের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর যদি কোনো কোম্পানি বার বার টেন্ডার পেয়ে থাকে তাতে উপাচার্য কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কী করার আছে? যে প্রতিষ্ঠান কাজ পাচ্ছে তাকে টেন্ডার সাবমিট না করতে বলা কি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাজ? যদি তাকে টেন্ডার সাবমিট করতে না বলা হয় তাহলে তা কি পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী তা অবৈধ হবে না? তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট রয়েছে যার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের। যেখানে সচিব এবং সিনিয়র সচিবের সংখ্যা পাঁচজন। এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনিত ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন।

ইউজিসির ২০ আপত্তির বিষয়ে বলা হয়েছে, নিয়ম মেনে কাজ করার পরও অনুমাননির্ভর এসব আপত্তি। ইউজিসি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট এসে তো বাজেট চায় না। ইউজিসি শুধু তার বাজেটই দিয়ে যায় এবং তারা বাজেট নির্দিষ্ট করে দিলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কখনো ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে যেতে পারবে না, মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও পরিণত হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *