July 3, 2022, 5:37 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

করোনাকালেও চলছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, জুন ২৭, ২০২০
  • 2 Time View

শিক্ষাজব ডেস্ক:

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় করোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে। আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, করোনা সংক্রমণরোধে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সরকার। শিক্ষার্থীরা যেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হয় সেজন্য প্রাইভেট-কোচিংয়েও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞার কোনো তোয়াক্কা না করে নিজেদের কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আব্দুল জ‌লিল, বাবু গৌরাঙ্গলালসহ বেশ কয়েকজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক। আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর আব্দুল জলিলের নিজস্ব ক‌ম্পিউটার ট্রে‌নিং সেন্টারেও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, করোনার মধ্যে এসব কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা অভিভাবকদের। ফলে অবিলম্বে এসব কোচিং সেন্টার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করেন আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর আব্দুল জলিল। একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন স্বীকার করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক  বলেন, আমার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে ঠিকই কিন্তু আমি সেখানে ক্লাস নিচ্ছি না। স্কুলের ক্লাস নাইনের রেজিস্ট্রেশন কাজ করতে একদিন ছাত্রীরা আমার প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এসেছিল। তা দেখে এলাকাবাসী ভাবছে আমি ক্লাস নিচ্ছি।

স্কুলের রেজিস্ট্রেশন করতে ছাত্রীরা কেন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাবে জানতে চাইলে শিক্ষক আব্দুল জলিল বলেন, স্কুল বন্ধ ছিল বারবার হেডমাস্টারকে ডেকে এনে স্কুল খোলা সম্ভব নয়। তাই কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র নিছিলাম। কারো কোচিং ক্লাস নেয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন এ শিক্ষক।

সূত্র: দৈনিক শিক্ষা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin