July 5, 2022, 3:42 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

ঢাবি শিক্ষকের গবেষণার প্রায় সবই ‘নকল’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২০
  • 5 Time View

শিক্ষাজব ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের আবু নাসের মুহম্মদ সাইফের গবেষণার সিংহভাগই হুবহু নকল বলে তথ্য মিলেছে। এমনকি এই গবেষণা দেখিয়ে তিনি প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।

২০১৩ সালের জুলাইয়ে বাংলাভিশন রিসার্চ জার্নালের (Banglavision Research Journal) ১৭-২৬ পৃষ্ঠায় আবু নাসের মুহম্মদ সাইফের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়, যার শিরোনাম ছিল Adoption of Mobile Banking in Bangladesh: Challenges and Prospects। এটি ২০১২ সালের ডিসেম্বরে Bangladesh Journal of MIS এর ১৮১-২০০ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং আরও দুজন গবেষকের M-banking in Bangladesh: Consumer Perceptions and Expectation শিরোনামের গবেষণাপত্রটির হুবহু নকল (প্রায় ৯৯ শতাংশ)।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাংলাভিশন রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু নাসের মুহম্মদ সাইফের গবেষণার ৯ পৃষ্ঠার (রেফারেন্স অংশ ব্যতীত) পত্রটিতে প্রথম পৃষ্ঠায় ২৪ লাইনের মধ্যে ১৭ লাইন, দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ৩৪ লাইনের মধ্যে ২৭ লাইন, তৃতীয় পৃষ্ঠায় ৩৫ লাইনের মধ্যে ৩৩ লাইন, চতুর্থ পৃষ্ঠায় ৩২ লাইনের মধ্যে ২৫ লাইন, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম পুরো পৃষ্ঠা এবং নবম পৃষ্ঠায় ৩৪ লাইনের মধ্যে ২৪ লাইন বিরাম চিহ্নসহ হুবুহু নকল। বাকি লাইনগুলোতে কিছু শব্দ পরিবর্তন করে সম্পাদন করা হয়েছে। গবেষণার ক্রস ট্যাবুলেশন, মিন গুডনেস স্কোর, স্যাম্পল টি-টেস্ট, অ্যানালাইসিস, কম্যুন্যালিটিস, ম্যাট্রিক্স ফলাফল হুবহু নকল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে গবেষণা জালিয়াতির অভিযোগ এবারই প্রথম নয়। প্রতি বছর গণমাধ্যমে গড়ে পাঁচ-আটজন শিক্ষকের গবেষণা জালিয়াতির খবর প্রকাশ পায়। অসাধু শিক্ষকরা তাদের পদোন্নতির লোভে অন্যের গবেষণা নিজের নামে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।

সূত্র জানিয়েছে, আবু নাসের মুহম্মদ সাইফ প্রভাষক পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেতে এ গবেষণা নকল করেছিলেন এবং তার এ কাজের মূল্যায়নও হয়েছিল। তিনি প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদ লাভ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু নাসের মুহম্মদ সাইফ  বলেন, এটা অনেক বছর আগের গবেষণা। একই বিভাগের পার্টটাইম শিক্ষক জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবরের সাথে এ কাজটি করেছিলাম। এটা আমি কোথাও ব্যবহার করিনি।

গবেষণা নকল কি-না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ কাজটি হয়েছিল। আমি প্রকাশ করতে চাইনি এবং এ গবেষণার কৃতিত্ব আমি কোথাও উল্লেখ করিনি।

যদিও নিজের জীবন বৃত্তান্তের ‘প্রকাশিত প্রবন্ধসমূহের তালিকা’ অংশের ৫ নম্বরে গবেষণার স্বত্ব স্বীকার করেন আবু নাসের মুহম্মদ সাইফ।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তবে ঘটনা যদি আসলেই সত্য হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

সূত্র: জাগো নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin