July 5, 2022, 4:23 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

নাটোরে জালসনদে পাঁচ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ এমপির, তদন্ত শুরু

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
  • 1 Time View
শিক্ষাজব ডেস্ক:

নাটোরের গুরুদাশপুর উপজেলার একটি কলেজে জালসনদে অধ্যক্ষসহ মোট পাঁচজন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ পেয়ে কর্মরত আছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন একজন এমপি। সরদার কাজিমুদ্দিন টেকনিক্যোল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এ গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন নাটোর ৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল কুদ্দুস। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের মাস্টার্স সনদ জাল বলে অভিযোগে জানানো হয়েছে। এমপির করা অভিযোগটি আমলে নিয়ে তা তদন্ত শুরু করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

এমপি অভিযোগে গুরুদাশপুর উপজেলার সরদার কাজিমুদ্দিন টেকনিক্যোল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে জানান, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ এস এম আবুল কালাম আজাদের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্সের সনদটি জাল। প্রতিষ্ঠানের প্রায় সব শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগ প্রক্রিয়ার ডিজি প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলেও অভিযোগে জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির আরও চারজন শিক্ষক-কর্মচারীর জালসনদে নিয়োগ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন এমপি আব্দুল কুদ্দুস। অভিযোগে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির সহাকারী লাইব্রেরিয়ান মো. সাইফুল ইসলামের লাইব্রেরিয়ান সার্টিফিকেটটি জাল। বাংলার প্রভাষক নরুন্নাহারের মাস্টার্স সার্টিফিকেটও ভুয়া বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এছাড়া ল্যাব অ্যাসিসিটেন্ট সুফিয়া খাতুনের ল্যাব সার্টিফিকেট জাল এবং কম্পিউটার অপারেশন বিষয়ের প্রভাষক এস এম সাইফুল ইসলামের সার্টিফিকেটেও সমস্যা আছে বলে অভিযোগে জানানো হয়। অভিযোগটি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছিলেন সংসদ সদস্য।

অধিদপ্তর জানান, সংসদ সদস্যের করা গুরতর অভিযোগটি আমলে নিয়ে তা তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন রয়েছে। এছাড়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে স্থগিতাদেশ বহাল আছে। তাই, তার বিরুদ্ধে তদন্তের সুযোগ নেই।

তবে, অধ্যক্ষ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালককে অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দৈনিক শিক্ষা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin