July 5, 2022, 5:55 am
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন ৮ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০২০
  • 4 Time View

শিক্ষাজব ডেস্ক:

করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন আটটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানায়, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগী রাখতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবে। অভিভাবকরাও এই অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া, সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস প্রচার করে ৫৯ থেকে ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পাঠ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বেতারে পাঠ প্রচার শুরু হলে আরও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছেন তারা। তবে জরিপ করে দেখা গেছে, দেশের ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে। অভিভাবকদের মুঠোফোন ব্যবহার করে শিশুরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে এই অ্যাপস তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে সহায়তা করা হচ্ছে। শিগগিরই অ্যাপস চালু করা যাবে বলে তিনি আশা করেন। – খবর দৈনিক শিক্ষা

হ্যালো টিচার অ্যাপস ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্নিষ্ট নতুন সাতটি পদক্ষেপ সরকার থেকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো-

এখন থেকে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সাইনবোর্ডে বাংলায় বিদ্যালয়ের নাম লিখতে হবে। বিদ্যালয়ের নামের আগে ‘…..নং’ কথাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ বিষয়ে গত সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সংশ্নিষ্ট সবাইকে চিঠির মাধ্যমে নির্দেশ দেন। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, একেক স্থানে একেক রকমভাবে বিদ্যালয়ের নাম লেখায় তা দৃষ্টিকটূ এবং শিশুদের জন্য তা বোঝাও কঠিন।

গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন ও ডিপিই মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও), পিটিআই সুপার, ইউইও, এইউইও, ইন্সট্রাক্টর, ইউআরসি এবং শিক্ষকদের সাঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় মিলিত হন। এতেও প্রাথমিক শিক্ষার নতুন এসব সিদ্ধান্তের বিষয়ে সবাইকে আগাম জানিয়ে দেয়া হয় এবং এগুলো বাস্তবায়নে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে করোনাকালে মোবাইল ফোনের জুম অ্যাপস ব্যবহার করে সব প্রধান শিক্ষক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের সাঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করবেন। টেলিভিশনে ‘ঘরে বসে শিখি’ কার্যক্রমে আরও বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যেন যুক্ত হয় ও টেলিভিশনে ডিজিটাল ক্লাস যেন দেখে এ ব্যবস্থা ফোনের মাধ্যমে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকরা যোগাযোগ করে করবেন। পাঠ প্রচারের সময়সূচি স্থানীয় মসজিদের মাইকের মাধ্যমে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের জানিয়ে দিতে হবে।

করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র তৈরি করে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে অথবা মুঠোফোনে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিয়ে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করবেন এবং তা যাচাই করবেন। এ কাজটি সফলভাবে সম্পাদনের জন্যে ইউইও এবং এইউইওরা অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে বাস্তবায়ন করবেন।

নতুন সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স’ দেওয়া হবে। বিধি অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক সঠিক মানের একই রংয়ের শার্ট, স্কাট, প্যান্ট, টাই, জুতা কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ‘রিকভারি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠাবেন।

এ ছাড়া প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিজ বিদ্যালয়ের নামে ফেসবুক আইডি খুলতে হবে। শিক্ষকরা পাঠদান কার্যক্রম ভিডিও করে ওই ফেসবুকে আপলোড দেবেন। এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ‘বাস্তবায়নে এলজিইডি’ না লিখে এর জায়গায় ‘বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ লিখতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ধরনের মেরামত ও স্লিপের কার্যাবলি মানসম্মতভাবে যথাসময়ে শেষ করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিল ভাউচার দাখিল করতে হবে প্রধান শিক্ষকের।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ‘হ্যালো টিচার’ নামে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপস) ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা পছন্দের শিক্ষক বাছাই করে তার কাছ থেকে শিক্ষার বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞানসহ নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক বাছাই করে পাঠ সম্পর্কে বুঝতে ও জানতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin