July 5, 2022, 3:53 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

বাঘায় ৮ বছরে নদী গর্ভে বিলীন ৫টি বিদ্যালয়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২০
  • 8 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহীর বাঘায় গত ৮ বছরে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ৫টি বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের সঙ্গে চরাঞ্চলের মানুষের ছিল অনেক মধুর স্মৃতি। পদ্মা নদী নিভিয়ে দিয়েছে এই আলোর বাকিঘর গুলো। একদিকে শিক্ষা ও দারিদ্রের হার, অন্যদিকে দুর্গম চর। এমন উভয় সংকটের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার ও গ্রহণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে চরবাসীর জন্য।

সর্বশেষ নদী গর্ভে বিলীন হলো লক্ষ্মীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৩৭ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান জানান, চোখের সামনে বিদ্যালয়টি পদ্মায় তলিয়ে গেলো। শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। কিছুই করতে পারলাম না। আগেই নিলাম ডাকে বিক্রি করা ভবনটি, আসবাবপত্র ভেঙে নেয় ক্রেতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এইসব চর এলাকায় মাধ্যমিকের গন্ডি পার না হতেই বিয়ের পিড়িতে বসতে হয় মেয়েদের। আর ছেলেরা প্রাথমিক শেষের আগেই হয় কিষান বা গরু-মহিষের রাখাল এমন অনেক নজির রয়েছে। দারিদ্র এলাকা হওয়ায় ছেলেরা এই কাজগুলো করে। কারণ সেখান থেকে লোকালক অর্থাৎ রাজশাহী শহর বা উপজেলায় আসতে পারি দিতে হয় নদী। ফলে পদ্মার চরগুলো আলাদাই একটি জনপদ হিসেবে গড়ে উঠেছে।

চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, ১৯৩৫ সাল থেকে দুর্গম পদ্মা চরের মধ্যে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে ৯টি প্রাথমিক ও দু’টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এরমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে চৌমাদিয়া, আতারপাড়া, চকরাজাপুর, পলাশি ফতেপুর, ফতেপুর পলাশি, লক্ষ্মীনগর, চকরাজাপুর, পশ্চিম চরকালিদাসখালী, পূর্বচকরাজাপুর। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর। এর মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ৫টি বিদ্যালয়।

তিনি আরও জানান, ১৯৩৫ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত পলাশি ফতেপুর ও দ্বিতীয়টি ১৯৫৫ সালে চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৭৩ সালের পরবর্তী সময়ে চকরাজাপুরসহ অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৯৭৮ সালে চকরাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পরে পলাশিফতেপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০০৫ সালে ভাঙনের কবলে পড়ে চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরবর্তী সময়ে ভাঙনের কবলে পড়ে ঠিকানা হারায় পলাশিফতেপুর, আতারপাড়া, চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। তবে এ বছর চরকালিদাসখালী, লক্ষ্মীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় ঠিকানা হারালো।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুল আযম জানান, গত তিন দশকে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে নদীতে বিলীন হয়েছে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,মসজিদসহ কবরস্থানও। ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়েছে প্রায় সহস্রাধিক পরিবার।

পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপির সার্বিক সহযোগিতায় ৭২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২.১ কিলোমিটার দৈর্ঘের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin