July 6, 2022, 6:40 am
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে ঢাবি অধ্যাপক মোর্শেদকে চাকরি থেকে অব্যাহতি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০
  • 8 Time View

শিক্ষাজব ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রকাশিত ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ নামক এক নিবন্ধে লেখেন, ‘আওয়ামী নেতাদের বেশিরভাগই স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাদের পরিবার-পরিজনসহ ভারতে চলে গেলেন এ দেশবাসীকে মৃত্যু ফাঁদে ফেলে দিয়ে নেতৃত্বহীন অবস্থায়। যাকে ঘিরে এ দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখত সেই শেখ মুজিবুর রহমানও। জাতির এ সঙ্কটকালীন মুহূর্তে ত্রাতারূপে আবির্ভূত হন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। দেশপ্রেমের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত এই টগবগে যুবকের কণ্ঠে ২৬ মার্চ রাতে বজ্রের মতো গর্জে ওঠে স্বাধীনতার ঘোষণা। স্বাধীনতার ডাক এসেছিল শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর, তার আগে নয়। আমার জানা মতে, তিনি কোনো স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।’

এ লেখা প্রকাশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন এবং তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। পরে ২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেন। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপর তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আইনি সুপারিশের জন্য ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে দায়িত্ব দেয় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

এদিকে অধ্যাপক ড. মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন মত প্রকাশ, মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও লালন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। এটি শতবর্ষের ঐতিহ্য। সেখানে একটি লেখার জন্য অধ্যাপক মোর্শেদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া কেবল ভিন্ন মতের ওপর প্রতি আক্রোশের কারণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করতে যে যে অভিযোগ প্রমাণ করা লাগে অধ্যাপক মোর্শেদ সেসব অভিযোগে অভিযুক্ত নন।’

সূত্র: জাগো নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin