July 3, 2022, 5:35 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীণ হলেও ভর্তির টাকা নেই মিজানুরের

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ৭, ২০২১
  • 10 Time View

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর দূর্গম চরাঞ্চলের অদম্য মেধাবী মিজানুর রহমান এবার মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছেন না তিনি। অভাবকে জয় করে মিজানুর রহমান ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চর কুলাঘাট গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান। ধরলা নদী তীরবর্তী ইউনিয়নে মিজানুরই একমাত্র শিক্ষার্থী যিনি এবার মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। অথচ অর্থাভাবে সেই সুযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।মিজানুর গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চর কুলাঘাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও লালমনিরহাট সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।
মিজানুরকে নিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী গর্ববোধ করলেও তাদের মাঝে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তার ছায়া। মিজান শেষ পর্যন্ত লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে কিনা এমন চিন্তায় এখন পুরো পরিবার।২০১২ সালে মারা যান মিজানুরের বাবা মফিজ উদ্দিন। তখন সে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ছয় সন্তানকে নিয়ে চরম অর্থাভাবে পড়েন মা জোবেদা বেগম। জায়গা জমি বলতে কিছুই নেই। মাত্র ৮ শতক জমির ওপর বসতঘর।

নবম শ্রেণি থেকে প্রাইভেট টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যান মিজান। ধারদেনা, মায়ের মুষ্টির চাল আর অন্যের সাহায্য সহযোগিতায় এতদূর এগুতে পারলেও এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। মেডিকেলে ভর্তি ফিসহ আগামী পাঁচ বছরের পড়াশুনায় প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।মা জোবেদা বেগম বলেন, বাহে, হামার কিচ্ছু নাই। না খেয়ে ছেলেকে পড়ালেখা করাইছি। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছোট ছেলেকে পড়াশুনা করে এত দূর নিয়ে আসছি। ডাক্তারি পড়ানোর এত টাকা হামা কই পামো? ডাক্তারি ভর্তি ও প্রতি মাসের টাকা এখন কিভাবে যোগাড় হবে তা নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin