July 5, 2022, 4:11 pm
শিরোনাম :
প্রাণ, মিনিস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরির সুযোগ আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি নবম ধাপের ইউপি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ শুরু দিনাজপুরের হাবিপ্রবির চার হলের শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ বিসিআইসি ৬২ জনকে নিয়োগ দেবে শিহাবের মৃত্যু: সৃষ্টি স্কুলের ৯ শিক্ষক আটক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এসডিজিজ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত ইয়েস বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এনসিটিএফ’র আয়োজনে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনে অনুমোদন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ৫, ২০২১
  • 3 Time View

‘করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল’ হিসেবে যাত্রা শুরুর প্রশাসনিক অনুমোদন পেয়েছে রাজশাহী সদর হাসপাতাল। এসেছে বাজেটও। এই হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমসহ সাধারণ বেডের পাশাপাশি ১৫টি আইসিইউ বেডও থাকবে।

রোববার (৪ জুলাই) রাতে  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এটি আমাদের দাবি ছিল। রামেক হাসপাতালে করোনা রোগীর চাপ কমিয়ে আনতে হলে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালের প্রয়োজন। সেজন্য মাসখানেক আগে রাজশাহী সদর হাসপাতালকে করোনা হাসপাতালে রুপান্তর করার আবেদন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রশাসন আমাদের জানিয়েছে, আপনারা কাজ শুরু করেন। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হবে। সেখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন থাকবে। রিপেয়ারিং কাজ শুরু হয়েছে। আরও দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে সদর হাসপাতালটি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রায় ১৫০ জনের মতো রোগীর সঙ্কুলান হতে পারে। প্রতিটি ওয়ার্ডে তিন শিফট মিলিয়ে চিকিৎসক লাগবে দুইজন করে মোট ৬ জন, তিন শিফটে নার্স প্রয়োজন পড়বে ১৫ জন, ওয়ার্ড বয় প্রয়োজন হবে ৯ জন এবং ক্লিনার প্রয়োজন হবে ৯ জন করে। তবে পুরোপুরি কাজ সম্পন্ন না হলে এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে রাজশাহী সদর হাসপাতাল। অথচ একসময় এই হাসপাতালটিই ছিল এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের একমাত্র চিকিৎসার ভরসা। ১৯০২ সালে ব্রিটিশদের নির্মিত ভবনেই প্রথম শুরু হয়েছিল এর কার্যক্রম। রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেতেন হাসপাতালটিতে। ধীরে ধীরে মেডিসিন, নাক-কান-গলা, হাড় জোড়া এমনকি অপারেশন সেবাও চালু হয় এখানে। যা ১৯৩৮ সালে রূপ পায় সদর হাসপাতালে। পরে বিভিন্ন কারণে এটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়েভ তবে বেশ কিছুদিন ধরে রাজশাহীর বিশিষ্টজনেরা দাবি করে আসছেন, হাসপাতালটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে না রেখে এটিকে বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দেয়া হোক এবং রামেক হাসপাতালে করোনা রোগীর চাপ কমিয়ে অন্যান্য সাধারণ রোগীর চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin