November 26, 2022, 1:33 pm

শিক্ষার্থীদের নম্বর কম দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে অব্যাহতি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
  • 81 Time View

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নম্বর কম দেয়ার অভিযোগে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মৌটুসী রায়কে পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা।  

তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি-নির্ধারণী ফোরাম (সিন্ডিকেট) এর ৭৬তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষক বিভাগের কোন পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যোগ দিতে পারবেন না।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের (২০১৪-১৫ সেশন) দ্বিতীয় সেমিস্টারের ৪০২ নম্বর কোর্সের ‘ট্রান্সলেনস স্টাডিজ’ বিষয়ের ৫০ নম্বরের কন্টিনিয়াস ফলাফল প্রকাশ করে। ফল প্রকাশের পর ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা কোর্স শিক্ষক মোটুসী রায়ের বিরুদ্ধে ‘কম নম্বর দেওয়ার’ অভিযোগ তুলে তার মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে গণআত্মহত্যা ও আন্দোলনের হুমকি দেয়।

শিক্ষার্থীদের গণআত্মহত্যার হুমকির পর সেদিন মধ্যরাতে নিরাপত্তা চেয়ে তাজহাট থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন ওই শিক্ষিকা। নম্বর কম দেওয়া ও জিডির প্রেক্ষিতে পরদিন শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে বিক্ষোভ করেন। এতে চার শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনা তদন্তে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীকে আহবায়ক, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশিদ এবং রসায়ন বিভাগের প্রধান তানিয়া তোফাজকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে একাডেমিক কাউন্সিল। তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে শিক্ষিকা মৌটুসী রায়কে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। একইসাথে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করার সুযোগ চেয়া করা আবেদেনের বিষয়টিও সুপারিশে উঠে আসে।

এ বিষয়ে অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষক মোটুসী রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সময় সংবাদকে বলেন, আমার মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আত্মহত্যা ও আন্দোলনের হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে পরামর্শ করে বিভাগের দুই শিক্ষক আলী রায়হান সরকার, কাশফিয়া ইয়াসমীন অন্বা এবং উপাচার্যের পিএ আবুল কালাম আজাদকে সঙ্গে নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।
তবে তাকে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে অব্যাহতির বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।

সূত্র : সময় সংবাদ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin