September 25, 2022, 9:18 pm

সবাই পরীক্ষার হলে, বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলো পল্লব

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
  • 35 Time View
পল্লবরায়
পল্লবরায়

সবাই পরীক্ষার হলে, বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলো পল্লব! ঘড়ির কাঁটায় ঠিক বেলা ১১টা। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সবাই কেন্দ্রে ঢুকে গেছে। অথচ একজন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলো। গতকাল বৃহস্পতিবার লালমনির হাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এমনই দৃশ্য দেখা গেলো। ওই পরীক্ষার্থীর নাম পল্লব রায়। সে উপজেলার শংকর বাজার টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজের কলেজের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ছিলেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে পল্লব রায়ের সঙ্গে কথা হলে সে জানায়, নির্ধারিত সময়ে সে তার প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অধ্যক্ষ যামিনা রায়ের কাছে ছয় হাজার টাকা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিলো। তবে তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয় সুব্রত নামের একটি ভুল অ্যাডমিট কার্ড দেয়া হয় ঠিক পরীক্ষার আগের দিন গত বুধবার শেষ বিকালে। এতে তার পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে যায়। সে রাতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তারা পরামর্শ দেন যে ওই অধ্যক্ষকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পারলে একটা সামাধান হতে পারে। পরে অধ্যক্ষের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পেয়েছি। অবশেষ বুধবার রাতে বাড়িতে গিয়ে

অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা হলে তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে সব ঠিক করে দেবেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

শংকর বাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজের শিক্ষকরা জানান, পল্লব রায় একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন। সে অধ্যক্ষের কাছে ফরম পূরণের টাকা দিয়েছিলো। কিন্তু তিনি ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এজন্য পল্লব রায় পরীক্ষা দিতে পারছে না।

এ বিষয়ে শংকর বাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ যামিনি রায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়ার যায়।

জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মধু সূদন সাহা বলেন, বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকালে জানতে পেরেছি। তবে এখন আর তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর সুযোগ নেই। ওই পরীক্ষার্থী চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মান্নান জানান বলেন, আমাকে বিষয়টি পল্লবের অভিভাবক মৌখিকভাবে জানিয়েছেন, তখন অনেক চেষ্টা করেছি সামাধানের। কিন্তু অধ্যক্ষ না আসায় কোন কিছু করা সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের লিখত অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করবো।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 shikkhajob.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin